বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাক এর শুভ উদ্বোধন পুরুষ ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে আইনে যুক্ত করতে রিট পি কে হালদারের সহযোগীদের হাজার কোটি টাকা জব্দ কে এই অবন্তিকা? হোয়াইট হাউসের গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশি-আমেরিকান জাইন সিদ্দিকের নাম ঘোষণা বাইডেনের ভুয়া বিলে ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন নিজ দেশের বাতাস দূষিত, তাই ফ্রান্সে আশ্রয় পেলেন এক বাংলাদেশি শৈত্যপ্রবাহ শুরু ওয়াশিংটনে তাণ্ডবে উস্কানির দায়ে অভিশংসিত ট্রাম্প প্রতীক্ষার অবসান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রিলিফ ও খরচ প্যাকেজ বিলে স্বাক্ষর প্রদান পৌর নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের তান্ডব চলছে: রিজভী

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ক বৈবাহিক ধর্ষণ গণ্য করতে আইনি নোটিশ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩২২ Time View

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো স্বামী যদি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাহলে সেটাকে ‘বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ‘ম্যারিটাল রেপ’ হিসেবে গণ্য করে আইন সংশোধনে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল (আইনি) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জাহিদ চৌধুরী জনি এই নোটিশ পাঠান। দেশে আইনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ল কমিশনের চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদফতরের ডিজি এবং সমাজসেবা অধিদফতরের ডিজিকে নোটিশে বিবাদী করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির কোথাও নারীর বৈবাহিক জীবনে তার স্বামী কর্তৃক যদি ধর্ষিত হয়, তাহলে ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ ওই নারী নিতে পারেন না। এছাড়া সামাজিকতার প্রেক্ষাপটে কখনো এ বিষয়টা নিয়ে জনসম্মুখে আসতেও পারেন না তিনি।

গবেষণায় তথ্য উঠে এসেছে, এ বছর দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ২৭ জেলাতেই বৈবাহিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস কমিশন ১৯৯৩ সালে বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ম্যারিটাল রেপকে মানবাধিকার লংঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি দেশের বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে আইন রয়েছে। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বাংলাদেশে বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি বা শাস্তির কথা উল্লেখ নেই।

দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্ক নেই এমন কোনো ব্যক্তি ধর্ষণ করলে তার শাস্তির বিধান থাকলেও পারিবারিক নির্যাতনের মাধ্যমে যে নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, তাদের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 bornomala news 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102