বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

‘স্বাধীনতার মুখে আঠা লাগিয়ে দিয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১
  • ১৩৫ Time View

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার মুখে আঠা লাগিয়ে দিয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইন ৭ই মার্চের গুরুত্বকে নষ্ট করে দিয়েছে। এই আইনকে কবরে পাঠিয়ে দিতে হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে। রোববার বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকার শাসন ইসলামাবাদের শাসনের থেকেও খারাপ হয়ে গেছে। আমাকে কথা বলতে দিতে হবে। এজন্য আইন বাতিল করতে হবে।

অনেক আইনকে সংস্কার করতে হবে। আজকে চাই পরিবর্তন পরিবর্তন পরিবর্তন। আজকে মুশতাকের মৃত্যু মধ্য দিয়ে কিশোর মুক্তি পেয়েছে। আজ মুশতাকের মৃত্যু না হলে কিশোর মুক্তি পেতো না। আজ এক লাখের বেশি লোক কোর্টে দৌঁড়াদৌঁড়ি করছে। এটা জেলের থেকেও খারাপ। আজকে যদি সমান অধিকার না থাকে এই স্বাধীনতা অর্থহীন।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীর প্রতীক) বলেন, একটা প্রস্তাব দিয়ে শুরু করতে চাই। মার্চ মাসে লাল সবুজের পোশাক পরবেন। আমরা তখন শপথ নিয়েছিলাম সরকারের কাজ করব বলে। কিন্তু আমরা পাকিস্তানের আর্মির হয়ে কাজ করিনি। আমরা চেয়েছি জনগণ ভোট দিক। আর ভোটটা নৌকায় দিক। কারণ নৌকা ছিল ৬ দফার প্রতীক। ডিসেম্বরে নির্বাচন এলো। আমি বিএনপি ঘরানার রাজনীতি করি। আমার দল এই জোটে আছে কিন্তু তাও বলব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ফিল্ড প্রস্তুত করেছিলেন। স্বাধীনতার তিনি প্রধান অনুঘটক ছিলেন। ৭ই মার্চের ভাষণ ছিলো অনবদ্য। বিএনপি বলছে ৭ই মার্চ পালন করবে। ভালো কথা। কিন্তু এরপর ওবায়দুল কাদের বললেন, এটাও নাকি ষড়যন্ত্রের অংশ। আমি বলব যারা বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগের সম্পত্তি বানিয়েছেন তারা ভুলের রাজ্যে বাস করছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম বলেন, মানুষ মুক্তি চায়। এটা তার সহজাত প্রবৃত্তি। বিরোধী দল আজ ক্ষমতাসীনদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, আজকের ৭ই মার্চ কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। এটা ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ সাধারণ কোনো ভাষণ ছিলো না। এটা ছিল জাতিকে রক্ষা করার ভাষণ। স্বাধীনতার ইশতেহারে ছিল নির্ভেজাল গণতন্ত্র। আজ ৫০ বছর হলো আজও কী আমরা তা পেয়েছি? তারা সমস্ত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জিম্মি করে রেখেছে। আদালতে কী আছে সেটা আপনারা জানেন। দেড় বছর হলো আমি পাসপোর্ট পাই নাই। আমিতো সাধারণ একজন ছাত্র নেতা।

তিনি আরো বলেন, এই যে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। কিশোর বলেছেন, তাদের কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 bornomala news 24
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102