আজ ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ২:৪৩

বার : শনিবার

ঋতু : বর্ষাকাল

কোথাও জলে ভাসা ,কোথাও রোদ-বৃষ্টি ‘আষাঢ়ে ঈদ’

গত শনিবার থেকে শুরু হয়েছে আষাঢ় মাস। ঋতুচক্রের হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ষা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার আষাঢ়ের তৃতীয় দিন। আষাঢ়ের তৃতীয় দিনে দেশে পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।দেশের কোথাও কোথাও রোদ থাকলেও অনেক এলকায় সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। কোনো কোনো জেলায় গত রাত থেকে ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে জলে ভেসে গেছে ঈদ আনন্দ।

ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে সুনামগঞ্জের প্লাবিত এলাকায়।পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লোকালয়েও ঢুকে পড়ছে। তলিয়ে গেছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। জেলা শহরের কয়েকটি পাড়ায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।এদিকে রাত তখন ২টার থেকে সিলেটে শুরু হয়েছে ভারি বৃষ্টি। এতে শহরজুরে সৃষ্টি হয়েছে জলাবন্ধতা। টানা বৃষ্টিতে সিলেট নগরের বেশির ভাগ এলাকা ডুবে গেছে। রাস্তাঘাট ডুবে বাড়িঘরে ঢুকে পড়েছে পানি।ঈদের আয়োজন, কোরবানির প্রস্তুতি রেখে মানুষ এখন ব্যস্ত ঘরের আসবাব রক্ষায়। হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে হতভম্ব মানুষ ছাড়ছে কেবল দীর্ঘশ্বাস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সি‌লে‌ট জা‌নি‌য়ে‌ছে, সি‌লে‌টে র‌বিবার সকাল ৬টা থে‌কে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৩.৬ মি‌লি‌মিটার বৃ‌ষ্টিপাত হ‌য়ে‌ছে।পা‌নি উন্নয়ন বোর্ড সি‌লেট কার্যালয় জা‌নি‌য়ে‌ছে, সি‌লে‌টে তিন প‌য়ে‌ন্টে নীর পা‌নি বিপৎসীমার ওপর দি‌য়ে প্রবা‌হিত হ‌চ্ছে। এর ম‌ধ্যে কানাইঘাট প‌য়ে‌ন্টে সুরমা নদীর পা‌নি বিপৎসীমার ৫৯ প‌য়েন্ট ওপর দি‌য়ে, ফেঞ্চুগ‌ঞ্জে কু‌শিয়ারা নদীর পা‌নি বিপৎসীমার ৬৩ সে‌ন্টি‌মিটার এবং জৈন্তাপু‌রের সা‌রিঘা‌টে সা‌রি নদীর পা‌নি বিপৎসীমার ৮ সে‌ন্টি‌মিটার ওপর দি‌য়ে প্রবা‌হিত হ‌চ্ছে।এদিকে আজ সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, দেশের সব বিভাগে আজ সোমার ঈদের দিন বৃষ্টি ঝরতে পারে। এ ছাড়া দুই বিভাগে অতিভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে বলেও সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category