আজ ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ১১:৪১

বার : শনিবার

ঋতু : বর্ষাকাল

মৌসুমি ব্যবসায়ীরা অভিজ্ঞতা না থাকায় লোকসানে পড়েন।

ঈদের দ্বিতীয় দিন আড়তদারদের হাঁকডাকে সরব হয়ে উঠেছে রাজধানীর লালবাগের পোস্তা। এখানে শায়েস্তা খান, রাজনারায়ণ ধর সড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়কে এখন ব্যস্ত চামড়া ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) পোস্তায় গিয়ে দেখা যায়, পাইকারি ব্যবসায়ীরা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া কিনছেন। এরপর এগুলো লবণজাত করা হচ্ছে। পরে সাভারের ট্যানারিগুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এসব চামড়া।তবে পোস্তায় চামড়া নিয়ে আসা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তারা সরকার নির্ধারিত দাম পাচ্ছেন না। আর আড়তদাররা বলছেন, অভিজ্ঞতা না থাকায় লোকসানে পড়ছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ টিপু সুলতান জাগো নিউজকে বলেন, যারা মৌসুমি এবং অস্থায়ী ব্যবসায়ী তাদের মধ্যে চামড়ার শ্রেণিবিন্যাস করার যোগ্যতা কম। কোন ধরনের চামড়া কী রকম দাম, কত স্কয়ার ফিট, চামড়ার ধরন ও সাইজ (ছোট, বড় ও মাঝারি) এসব না বোঝার কারণে তারা তাদের কেনা দামে চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে দোষ দিচ্ছেন আড়তদারদের। কিন্তু যারা বুঝে মাপ নিয়ে চামড়া সংগ্রহ করছেন তারা ঠিকই দাম পাচ্ছেন। আড়তদাররা বিভিন্ন দামে চামড়া কিনছেন, ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২শ টাকা পর্যন্ত।তিনি বলেন, চামড়া পচনশীল। সঠিক সময়ে পরিমাণমতো লবণ না দিতে পারলে চামড়ায় লেগে থাকা মাংসের কারণেও পচন ধরতে পারে। এসব অভিজ্ঞতা কম হওয়ার কারণে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়েন।

ঈদের পরের দিন পোস্তায় চামড়া কম আসছে বলেও জানান তিনি। তবে, পোস্তায় চামড়া না এলেও সাভারে চলে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category