আজ ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ২:১২

বার : শনিবার

ঋতু : বর্ষাকাল

এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসার নির্দেশ মোমবাতি-দিয়াশলাই নিয়ে

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল রোববার (৩০ জুন)। এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মোমবাতি ও দিয়াশলাই সঙ্গে আনার নির্দেশনা দিয়েছে টাঙ্গাইলের এক কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

মোমবাতি ও দিয়াশলাই আনার নির্দেশ দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়া কলেজটি হলো টাঙ্গাইলের মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়। এটি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একটি পরীক্ষাকেন্দ্র। এখানে এক হাজার ১৯৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।ঢাকা বোর্ড বলছে, মোমবাতি-দিয়াশলাই আনার এমন কোনো নির্দেশনা বোর্ড থেকে কেন্দ্রগুলোকে দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রে বা পরীক্ষার হলে যা যা প্রয়োজন, তার সব আয়োজন করবেন কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অবগত করা যাচ্ছে যে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্ভাবনা (আশঙ্কা) থাকায় তাদের সবাইকে পরীক্ষাকেন্দ্রে মোমবাতি ও দিয়াশলাই সঙ্গে আনার নির্দেশ দেওয়া হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আমিনুম ইসলাম। বিজ্ঞপ্তিটি সঠিক কি না, জানতে অধ্যক্ষের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের কলেজ কেন্দ্রে এক হাজার ১৯৭ জন পরীক্ষার্থী। বিদ্যুৎ চলে গেলে ক্লাসরুম অন্ধকার হয়ে পড়ে। এত শিক্ষার্থীর জন্য মোমবাতি কেনা সম্ভব হয় না। অনেক সময় এত মোমবাতি একসঙ্গে কিনতে পাওয়াও যায় না। সেজন্য সবাইকে মোমবাতি ও দিয়াশলাই কিনে আনার নির্দেশনা দিয়েছি।’

মোমবাতি ও দিয়াশলাইয়ের প্রয়োজন হলে সেটা কেন্দ্র থেকে দেবে, শিক্ষার্থীরা কেন আনবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার এক বন্ধু আছেন। তিনিও টাঙ্গাইলের এক কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি পরামর্শ দিলেন যে বন্ধু তুমি একটা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দাও, তাহলে আর ঝামেলা থাকবে না। সেজন্য দিয়ে ফেলেছি। এটা বোর্ড থেকে নির্দেশনা পেয়ে দেওয়া হয়নি। এখন বুঝতে পারছি, হয়তো এটা দেওয়া সঙ্গতিপূর্ণ হয়নি। দেখি, আমরা এটা প্রত্যাহার করে নিতে পারি।’মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয় কেন্দ্র ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে। জানতে চাইলে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর জন্য যা যা প্রয়োজন, সব দেবেন কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। শিক্ষার্থীরা শুধু প্রবেশপত্র ও পরীক্ষা দেওয়ার জন্য যেসব উপকরণ প্রয়োজন সেগুলো নিয়ে আসবে।তিনি বলেন, ‘ওই কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেন এমন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন, তা বোর্ড থেকে জানতে চাওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের এমন কোনো নির্দেশনা মানার প্রয়োজন নেই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category