শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ, সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার হালনাগাদ পরিস্থিতি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েই চলছে! মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাবে বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত ১৭৬ ফ্লাইট বাতিল সংসদের চীফ হুইপ পদে নিয়োগ পেয়েছেন বরগুনা-২ আসনের নূরুল ইসলাম ১০ মার্চ থেকে ১৪ উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু আগামী ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন তারেক রহমানের শাসনব্যবস্থায় আইনের শাসন হবে সর্বোচ্চ! বঙ্গভবন নয়, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবে নতুন সরকার নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করল গণভোটের চূড়ান্ত গেজেট

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

bornomalanews
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৫৩ Time View

দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির একটি আদালত। আজ মঙ্গলবার সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালত এই পরোয়ানা জারির আবেদন অনুমোদন করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্ত কার্যালয় (সিআইও)।

ইউন সুক-ইওল সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। গত ৩ ডিসেম্বর তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি করেন। তবে জনগণের তীব্র প্রতিবাদের মুখে মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে তিনি তা প্রত্যাহারে বাধ্য হন। এই ঘটনায় জনমনে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিলে ১৪ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে তাঁকে অভিশংসিত করা হয় এবং প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অভিশংসনের পর তাঁর ভবিষ্যৎ এখন পুরোপুরি সাংবিধানিক আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। আদালত যদি তাঁর অভিশংসন বহাল রাখে, তাহলে ইউন সুক-ইওল চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারিত হবেন।

ইতিহাসে প্রথমবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এই প্রথমবার কোনো বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলো। সিআইও-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইউনের বাসভবনে তল্লাশির জন্যও আদালত পরোয়ানা অনুমোদন করেছেন। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কখন বা কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

আদালত ও তদন্তকারীদের প্রতিক্রিয়া

আদালত কী যুক্তিতে এই পরোয়ানা জারি করেছেন, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি সিআইও বা আদালত। প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি বিবেচনা করবে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

ক্ষমতাসীন পিপল পাওয়ার পার্টির ভারপ্রাপ্ত নেতা কেওন সিওং-ডং বলেছেন, “একজন বর্তমান প্রেসিডেন্টকে আটক করার চেষ্টা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়।” অন্যদিকে, ইউনের সামরিক আইন জারির ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রদ্রোহ-সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কোনো দায়মুক্তি ভোগ করেন না।

সামনের দিনগুলো

ইউনের বিরুদ্ধে পরোয়ানার এই ঘটনা দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও অভিশংসন প্রক্রিয়া দেশটির রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তদন্ত এবং আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এখন পুরো দেশের নজর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102