শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যেভাবে জানা যাবে ভোট কেন্দ্রের নাম জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো নারী বিদ্বেষী পোস্ট: তদন্ত ও গ্রেফতারের ঘটনায় ডিবি বিভক্তি দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই সংস্কার সনদ’ বিষয়ক গণভোট পর্যবেক্ষণে ১৬টি দেশ থেকে পর্যবেক্ষক আসছেন আন্তর্জাতিক আদালত নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি, সমস্যার সমাধান দেখিনি: তারেক রহমান নির্বাচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত : রাষ্ট্রদূত নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি ফের ফোনালাপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে :প্রেস সচিব

জাতিসংঘ দায়মুক্তি চায় না!

bornomalanews
  • Update Time : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৩৫১ Time View

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। ৫ আগস্টের আগের অপরাধগুলোর পাশাপাশি ৫ আগস্ট-পরবর্তী সহিংসতারও জবাবদিহি চায় জাতিসংঘ। গত বুধবার জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে এমন প্রত্যাশা উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের সত্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টের শুরু থেকে পরবর্তী সময়ে ‘সহিংস মব’ পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হত্যাসহ গুরুতর প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। এ সময় হিন্দু, আহমদিয়া মুসলিম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরাও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। তাদের বাড়িঘরে হামলা করা হয়েছে এবং জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাজার, মন্দিরসহ ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা করা হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, এমন ব্যক্তিদের এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে ভুক্তভোগীদের মানবাধিকার রক্ষা করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

জাতিসংঘের তদন্তদল তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে বিচারহীনতা ও প্রতিশোধের চক্রের মধ্যে আছে। আগস্টের শুরু থেকে প্রতিশোধমূলক সহিংসতা এবং নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন-নিপীড়নকারীদের অনেকে দৃশ্যত দায়মুক্তি পাচ্ছে। গত বছরের ১৪ অক্টোবর সরকার ঘোষণা দেয়, ‘শিক্ষার্থী ও জনতা, যাদের কারণে গণ-অভ্যুত্থান সফল হয়েছে, তারা কোনো বিচার, গ্রেপ্তার ও হয়রানির সম্মুখীন হবেন না। বেশির ভাগ সহিংসতা আত্মরক্ষার্থে ও তুমুল উসকানির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া হিসেবে ঘটেছে।’ কিন্তু জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর মনে করে, হত্যা, যৌন নিপীড়ন, লুটতরাজ, আবাসিক ভবনে অগ্নিসংযোগ এবং জাতিগত, ধর্মীয় ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ক্ষেত্রে দোষীদের ছাড় দেওয়া যাবে না।

প্রতিবেদনে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা, থানায় হামলা-অগ্নিসংযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মারধর ও হত্যা, নারীদের যৌন হয়রানি, ধর্ষণ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-সমর্থকদের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, হিন্দু, আহমদিয়া সম্প্রদায়, পাহাড়ের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের ওপর হামলা, মাজার ও মন্দির ভাঙচুর, আগুন দেওয়া, সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টের শুরুর দিকে বিগত সরকার ক্রমেই নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে। এ সময় জনতা প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ডসহ অন্যান্য সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102