শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে :প্রেস সচিব জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র! নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চার দলের প্রতি ইসির কঠোর সতর্কতা নির্বাচন কমিশনে আপিলের ফলে ৪১৬ প্রার্থী পুনরায় প্রার্থিতা পেয়েছেন নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বৈধ প্রার্থী আফরোজা খানমের দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগের আপিল শুনানির সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা শুরু ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানায় ৭৩ প্রার্থী পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের আপিল শুনানি শুরু পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন স্থগিত

নির্বাচনি ট্রেনটি এখন চূড়ান্ত গন্তব্যের পথে

bornomalanews
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১ Time View

নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে এখন প্রচারণার সময়। প্রতীক হাতে পাওয়ার পর প্রার্থীরা মাঠে নেমে পড়েছেন ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য। এই পর্যায়ে উৎসবের আমেজ থাকলেও, অতীতে দেখা গেছে প্রচারণা কখনো কখনো সহিংসতায় রূপ নিয়েছে, যা ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তাই এবার প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো—নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর থাকে, সহিংসতা যেন কোনোভাবেই না ঘটে। ২০২৫ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে যাতে নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখা যায়। এতে প্রচারে পোস্টার নিষিদ্ধ, মাইকের শব্দ মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে সীমাবদ্ধ এবং বিলবোর্ডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া বা ঘৃণাসূচক বক্তব্য প্রচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এছাড়া, ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও উসকানিমূলক ভাষাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এখানেই শেষ নয়, তারা মাঠে মাঠে আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয় তা নিয়ন্ত্রণ করবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকতে বলা হয়েছে যাতে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বজায় থাকে এবং সকল প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেওয়া হয়। প্রার্থীদের দায়িত্বও কম নয়। তারা ভোটারদের কাছে সুনির্দিষ্ট ইশতেহার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে যাবেন। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া বা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকাই যোগ্য প্রার্থীর পরিচয় বহন করে। বর্তমান ভোটাররা অনেক বেশি সচেতন; তারা প্রার্থীর অতীত কর্মকাণ্ড, দক্ষতা ও নৈতিকতা বিচার করেই ভোট দেবেন। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত তাদের কর্মী ও সমর্থকদের সংযত রাখা এবং সহনশীলতা প্রদর্শন করা, যাতে নির্বাচনী উত্তাপ সংঘাতের আগুনে পরিণত না হয়। নির্বাচনকে পেশিশক্তি প্রদর্শন বা অর্থবাজারে পরিণত না করে তা হোক নীতিবোধ এবং আদর্শের লড়াই। শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা অপরিহার্য। পাশাপাশি প্রার্থীদেরও দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শন করতে হবে। ভোটের মাঠ যেন উৎসবমুখর ও গণতান্ত্রিক মর্যাদার প্রতীক হয়, সেজন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নির্বাচনকে গণতন্ত্রের জয়গান হিসেবে দেখতে হলে এই পরিবেশ বজায় রাখা সবার অধিকার ও কর্তব্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102