প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে।” তিনি মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি agricultural significance-কে স্মরণ করিয়ে দেন, noting that পহেলা বৈশাখ যদিও এখন সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, এর মূল সম্পর্ক কৃষকদের সঙ্গে। প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী, এবং আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে ২ কোটি ৭৫ লাখ চাষি এই সুবিধা পাবেন। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য। তিনি আরও জানান, কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ১২ লাখ কৃষক পেয়েছেন। কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, যা কৃষকদের জন্য মূল্যবান হবে এবং তাদের আয়ের উৎস বৃদ্ধি করবে। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের আগ্রহ রয়েছে, যার জন্য সরকার সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করবে। দেশের পুনর্গঠনের সময় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সরকার জনগণের সরকার” এবং দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি জনগণের সহযোগিতার গুরুত্বও গুরুত্বারোপ করেন। অতিরিক্তভাবে, সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন, যা কৃষক ও কৃষির সুবিধার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূগর্ভস্থ পানির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারের উদ্যোগ এই সম্পদ রক্ষা করার দিকে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর এসব পদক্ষেপ কৃষকদের ক্ষমতায়ন এবং দেশের কৃষিপ্রধান অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেয়া বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।