আজ ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ১০:২৭

বার : শনিবার

ঋতু : বসন্তকাল

যুবদল নেতাকে না পেয়ে বড়ভাইকে হত্যা করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা

যুবদল নেতাকে না পেয়ে বড়ভাইকে হত্যা করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা

 নিহত নুরুল মোস্তফা বজল

নিহত নুরুল মোস্তফা বজল

নিজস্ব প্রতিনিধি

আওয়ামী সন্ত্রাসীরা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যুবদল নেতাকে না পেয়ে বড়ভাইকে কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে। রোববার সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ডের বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের লালানগরে এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় যুবলীগ নেতা তৌহিদের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম নুরুল মোস্তফা বজল। তিনি সীতাকুণ্ডের বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার মজিবুল হকের পুত্র ও লালানগর গ্রামের সর্দার ছিলেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুর উদ্দিন রাশেদ বলেন, দুর্বৃত্তরা নুরুল মোস্তফা বজলের একটি কব্জি পুরো কেটে ফেলা হয়েছে। এরপর মাথায় এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে। তার মাথায় একাধিক কোপ ও শরীরে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নিহত নুরুল মোস্তফা বজলের ছোট ভাই চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন বলেন, রোববার সন্ধ্যায় আমার বড় ভাই বাজারে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এরমধ্যে স্থানীয় যুবলীগ ক্যাডার তৌহিদের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী লোক দুইটি সিএনজি নিয়ে এসে প্রথমে আমার ভাইকে গুলি করে। এরপর তারা ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে চলে যায়। সেখানে এতগুলো লোক ছিল। কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করার সাহস করেনি।

ইসমাইল হোসেন বলেন, আমার ভাই ভালো ব্যবসায়ী ছিলেন। উনার পোল্ট্রি খামার ও মাছের ঘের আছে। পাশাপাশি তিনি গ্রামের সর্দার ছিলেন। তবে মূলত আমার রাজনীতির কারণে উনি এভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন। তবে আমি শহরেই ছিলাম। পুলিশের গ্রেপ্তার এড়াতে আমি এখন বেশিরভাগ সময় চট্টগ্রাম শহরে থাকি।

বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের ব্যক্তিগত সহকারী ও নগর কৃষকদল নেতা আজম খান বলেন, যুবদল নেতা ইসমাইলের বড় ভাই নুরুল মোস্তফা বজলকে সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ মনোনীত এমপি প্রার্থী মামুনের ক্যাডার বলে পরিচিত ইসলামের সহযোগী ডাকাত তৌহিদের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে গুলি করে এবং কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা খুনিদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল উদ্দিন জানান, নিহত বজলদের সঙ্গে তৌহিদের পারিবারিক বিরোধ ছিল। যতটুকু জানি এই কারণেই হত্যাকাণ্ড। আর তৌহিদ একজন চিহ্নিত ডাকাত। তার বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় ১৮টি মামলা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category