আজ ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ৯:৫৯

বার : শনিবার

ঋতু : বসন্তকাল

৭ জানুয়ারি কাস্টিং ভোটের হার জানতে চেয়েছে ই ইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান

৭ জানুয়ারি কাস্টিং ভোটের হার জানতে চেয়েছে ই ইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান


ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি প্রতিষ্ঠান এবার কাস্টিং ভোটের হার জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে

ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি প্রতিষ্ঠান এবার কাস্টিং ভোটের হার জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে

নিজস্ব প্রতিনিধি

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি প্রতিষ্ঠান এবার কাস্টিং ভোটের হার জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইন্সটিটিউটের (এনডিআই)।

সোমবার ইইউর বিশেষজ্ঞ দল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। আইআরআই ও এনডিআইয়ের প্রতিনিধিরাও ইসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন। পৃথক পৃথক বৈঠকে তারা এ বিষয়ে জানতে চায়।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ গণমাধ্যমকে বলেন, ইইউর ‘টেকনিক্যাল’ দল এবং আইআরআই ও এনডিআইয়ের প্রতিনিধিরা গতকাল বৈঠক করেছেন। তারা মূলত নির্বাচনের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত জানতে চেয়েছিলেন। তাদের সব তথ্য জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ই জানুয়ারি একতরফা দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গ্রহণের পরদিন ইসি জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪১ দশমিক ৮০ শতাংশ। তবে ভোটের এই হার নিয়ে সন্দেহ ও প্রশ্ন আছে। ভোটের দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সারা দেশে দুপুর ১২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত গড়ে সাড়ে ১৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দ্বিতীয় দফা ব্রিফিংয়ে সচিব জানান, বেলা ৩টা পর্যন্ত ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে এই হিসাবে কিছুটা হেরফের হতে পারে। কারণ, সব জায়গার তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভোট গ্রহণ শেষে বিকেল পাঁচটার পর সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল প্রথমে বলেন, ২৮ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে। পাশ থেকে তাঁকে একজন বলেন, এই হার ৪০ শতাংশ। তখন সিইসি বলেন, ‘৪০ পার্সেন্ট। তারপরও এটা ড্যাশ বোর্ডে শতভাগ তথ্য আসেনি।’ সিইসি বলেন, ৪০ শতাংশ যেটা এসেছে, এখন পর্যন্ত এটা নির্ভরযোগ্য। তবে এটা নিশ্চিত নয়, এটার কিছুটা ব্যত্যয় হতে পারে।

ইসি সূত্র জানায়, ইইউর বিশেষজ্ঞ দল এবং এনডিআই, আইআরআই মূলত ভোটের হার নিয়ে এই বিভ্রান্তির বিষয়টি জানতে চেয়েছে। তাদের ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, সব ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর ভোট পড়ার হার জানাতে। ইসির বিশেষ সফটওয়্যারে এ–সংক্রান্ত তথ্য দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সব কর্মকর্তা এই কাজ যথাযথভাবে করতে পারেননি। তিন পার্বত্য জেলার সংসদীয় আসন এবং এর বাইরে আরও কিছু আসনের বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রের ভোট পড়ার হার কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে দিতে পারেননি বা দেননি। এ–সংক্রান্ত তথ্য–উপাত্ত ইইউ, এনডিআই, আইআরআইয়ের প্রতিনিধিদের দেখানো হয়েছে।

ইসির একজন কর্মকর্তা জানান, ইইউর দলটি এ–সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। তাদের সব তথ্য বিস্তারিতভাবে সরবরাহ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category