আজ ১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সময় : সকাল ৭:২৮

বার : সোমবার

ঋতু : বর্ষাকাল

নরম নাকি শক্ত বালিশে ঘুমাবেন সুস্থ থাকতে?

রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে সারাদিন ক্লান্তিতে কাটে। আবার কাজের মাঝেও ঘুম পায়। এই সমস্যার সমাধান কিন্তু লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার বালিশের মধ্যে। বালিশের গড়ন ঘুম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে।

অনেকেই নরম তুলতুলে বালিশ ছাড়া ঘুমাতে পারেন না, আবার কারও কাছে আরামদায়ক শক্ত বালিশ। তবে কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা কি জানেন? তার আগে জেনে নিন সঠিক বালিশে না ঘুমালে কী কী সমস্যা দেখা দেয়-
ঘাড়ে ব্যথা

বালিশ ঠিক সাইজের না হলে আমাদের ঘাড়ে ব্যথা হয়। ফলে ঘাড়ে ব্যথার কারণে মাঝে মধ্যেই ঘুম ভেঙে যায়। কখনো কখনো এই ব্যথা এতটাই অসহ্য হয়ে ওঠে যে, কয়েকদিন পর্যন্ত তা সারতে চায় না।

কাঁধের ব্যথা

শুধু ঘাড়ের ব্যথা নয়, কাঁধের ব্যথাও ভোগাতে পারে। অনেকেই পাশ ফিরে শুতে ভালবাসেন। পাশ ফিরে শোওয়া ঘুমের জন্য়ও ভালো। তবে বালিশ আরামদায়ক না হলে পাশ ফিরে থাকা কাঁধে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হতে পারে। ফলে ভালো ঘুম হয় না।

পিঠের ব্যথা

চিৎ হয়ে শুলে এই ব্যথা হতে পারে। বালিশ ঠিকঠাক না থাকলে এই সমস্যা হতে পারে। তাই ব্যথা শুধু যে ঘাড়ে হয়, তা নয়। বরং অন্যান্য বেশ কিছু অঙ্গও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কোন বালিশে ভালো ঘুম হয়?
কে কীভাবে ঘুমান, তার উপর নির্ভর করে কোন ধরনের বালিশ আপনার জন্য সেরা। প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ পাশ ফিরে ঘুমান। এক্ষেত্রে শক্ত বালিশ নেওয়াই ভালো। বালিশ শক্ত হলে মাথা ও ঘাড়ের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকে। তবে বালিশ যেন খুব বেশি উঁচু না হয়। তাহলে শুলে সমস্যা হতে পারে।

যারা চিৎ হয়ে ঘুমান, তাদের অনেকই স্লিপ অ্যাপনিয়াতে ভোগেন। নাক ডাকার অভ্যাসও থাকে তাদের। আবার শ্বাসকষ্টের সমস্যাও হতে পারে। কারণ চিৎ হয়ে শুলে জিহ্বা ভেতরের দিকে চলে যায়।ফলে শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই চিৎ হয়ে শোওয়ার জন্য শক্ত বালিশ ভালো। এতে শরীরের উপর অংশ একটু উঁচু থাকে, এমন ব্যবস্থা করে নিতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category