মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নাহিদের যেভাবে জানা যাবে ভোট কেন্দ্রের নাম জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো নারী বিদ্বেষী পোস্ট: তদন্ত ও গ্রেফতারের ঘটনায় ডিবি বিভক্তি দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই সংস্কার সনদ’ বিষয়ক গণভোট পর্যবেক্ষণে ১৬টি দেশ থেকে পর্যবেক্ষক আসছেন আন্তর্জাতিক আদালত নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি, সমস্যার সমাধান দেখিনি: তারেক রহমান নির্বাচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত : রাষ্ট্রদূত নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি ফের ফোনালাপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর

দুই কারণে গ্রিনল্যান্ড পেতে চান ট্রাম্প

bornomalanews
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৫ Time View

গ্রিনল্যান্ড ভূতাত্ত্বিক গঠন ও প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল, যেখানে সোনা, লোহা, তামা, গ্রাফাইটসহ বিরল ও মূল্যবান খনিজ ভাণ্ডার রয়েছে। তবে দ্বীপটির দূরত্ব, কঠোর আবহাওয়া ও পরিবেশ সংরক্ষণ নীতির কারণে এই সম্পদের বড় অংশ এখনো অনাবিষ্কৃত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিরল খনিজের মজুত রয়েছে, যার মধ্যে জার্মেনিয়াম ও গ্যালিয়াম জাতীয় উচ্চপ্রযুক্তি খনিজও গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিরল খনিজের গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত। মার্কিন আইনপ্রণেতারা বিরল খনিজের জন্য বড় মাপের কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিল উত্থাপন করেছেন। যদিও গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদ উত্তোলন ও পরিশোধনে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্র। গ্রিনল্যান্ডে বর্তমানে মাত্র দুটি সক্রিয় খনি রয়েছে, যেখানে সঠিক অবকাঠামো ও মানব সম্পদ সংকট প্রধান বাধা। এলাকার বিরল খনিজ মজুত রইলেও, তাদের উত্তোলন ও পরিশোধন দক্ষতা যুক্তরাষ্ট্রে এখনও সীমিত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিখাতে ব্যবহৃত বিরল খনিজের অধিকাংশ সরবরাহ বিশ্ববাজারে চীনের নিয়ন্ত্রণে, যা বাণিজ্য আলোচনায় চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্ববাজারে খনিজের মূল্য ওঠানামার কারণে খনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে, যেমন পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের মারমোরিলি খনি ক্ষেত্রে দেখা গেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ও বেসরকারি খনি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরকারিভাবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা হয়েছে, যা দেশীয় সরবরাহ স্থিতিশীল করতে সহায়ক হতে পারে। গ্রিনল্যান্ডের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনের নজর পড়ে ভেনেজুয়েলার খনিজ সম্পদেও, যদিও বিশেষজ্ঞরা সেখানে বিরল খনিজের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দিহান। তারা মনে করেন, ভেনেজুয়েলার খনিজ সম্ভাবনা নিয়ে ওঠা আলোচনা রাজনৈতিক অজ্ঞতার প্রতিফলন। সার্বিকভাবে, গ্রিনল্যান্ডের বিরল ও মূল্যবান খনিজ সম্পদ বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও, উত্তোলন ও ব্যবহারযোগ্য করতে অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও ভৌগোলিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র এই সম্পদকে নিজের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগাতে আগ্রহী হলেও, বাস্তবায়নের পথে নানা বাধা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102