শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মোবাইল অ্যাপভিত্তিক ফুয়েল পাস চালু, নিবন্ধন করবেন যেভাবে জাতীয় সংসদে পাস হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী আটক সংবিধান সংশোধনে নয়, সংস্কারের বাস্তবায়নে জোর দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির মাঝে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা :শামা ওবায়েদ দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ, সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার হালনাগাদ পরিস্থিতি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েই চলছে! মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাবে বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত ১৭৬ ফ্লাইট বাতিল সংসদের চীফ হুইপ পদে নিয়োগ পেয়েছেন বরগুনা-২ আসনের নূরুল ইসলাম

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অনলাইন ক্লাসে ফিরছে পড়াশোনা,সতর্ক থাকতে হবে বাবা-মায়ের!

bornomalanews
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ Time View

জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন এক বাস্তবতা হিসেবে ফিরে এসেছে। করোনাকালে জরুরি বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত অনলাইন শিক্ষা এখন আবার নিয়মিত অংশ হয়ে উঠছে, তবে এর সঙ্গে এসেছে নতুন দুশ্চিন্তা—শিশু-কিশোরদের হাতে স্মার্টফোনের ব্যবহার ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি। শিক্ষার সুযোগ বাড়লেও একই সময়ে গেম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ভিডিও অ্যাপের মাধ্যমে মনোযোগ বিভ্রান্তি এবং সময় অপচয়ের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনলাইন ক্লাস শেষে ডিভাইস থেকে সহজে বিচ্ছিন্ন হতে না পারায় ঘুমের ব্যাঘাত, খেলাধুলার অভাব ও স্বাভাবিক রুটিনের ব্যত্যয় বাড়ছে। তাই সময় ব্যবস্থাপনা ও ডিভাইস ব্যবহারে সঠিক সীমাবদ্ধতা আরোপ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অভিভাবকদের দায়িত্ব যারা কোন অ্যাপ ব্যবহার করছে তা নজর রাখা এবং প্রয়োজন ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলো ইনস্টল না করাই ভালো। অপরিচিত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার এবং অনুপযুক্ত কনটেন্টের ঝুঁকি থেকে শিশুদের রক্ষা করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা শেখানো জরুরি। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সুবিধা ব্যবহার করে শিশুর অনলাইন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। অনলাইন ক্লাস চলাকালীন শিশুকে এমন পরিবেশে রাখা উচিত যেখানে অভিভাবক নজর রাখতে পারেন, যাতে মনোযোগ বাড়ে এবং বিভ্রান্তি কম হয়। এছাড়াও প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে বই পড়া, খেলাধুলা, সৃজনশীল কাজের মতো অফলাইন কার্যক্রমের গুরুত্ব বজায় রাখা জরুরি। অবশেষে, অনলাইন ক্লাস এখন সময়ের দাবি হলেও এর সুবিধা গ্রহণের সঙ্গে ঝুঁকিগুলো বোঝা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। অভিভাবকদের সচেতনতা ও নিয়মিত নজরদারিই প্রযুক্তিকে শিশুর জন্য আশীর্বাদে রূপান্তরিত করতে পারে, না হলে তা হয়ে উঠতে পারে বিপদের কারণ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102