যদিও বিকল্প ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজনের দাবি করা হয়েছে, আইসিসির পক্ষ থেকে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি, যা পুরো পরিস্থিতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে। এই অবস্থায় বিসিবির বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম স্পষ্ট করেছেন যে, বিশ্বকাপে না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক ক্ষতি হবে না, বরং ক্ষতিগ্রস্ত হবেন খেলোয়াড়রাই কারণ তারা ম্যাচ ফি ও পারফরম্যান্স বোনাস থেকে বঞ্চিত হবেন। তবে নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিতর্কের মাঝেই বিসিবির অভ্যন্তরে অস্থিরতা তীব্র হয়। সম্প্রতি তামিম ইকবালের বিরুদ্ধে ‘দালাল’ মন্তব্য ও ক্রিকেটারদের থেকে টাকা ফেরত চাওয়ার প্রসঙ্গ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ক্রিকেটাররা বিসিবির এক পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করে খেলা বয়কটের হুমকি দিয়েছেন। কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়েছেন এবং অন্যথায় সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বিসিবি দাবি করছে, নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্য তার ব্যক্তিগত মতামত, তবে বর্তমান উত্তেজনা বোর্ড ও খেলোয়াড়দের মধ্যে দূরত্ব আরও গভীর করছে। এই পরিস্থিতিতে বিপিএলের ভবিষ্যত ও দেশের ক্রিকেট অঙ্গনের স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ক্রিকেটের এই সংকট নিরসনে দ্রুত সমঝোতা ও সংলাপের প্রয়োজনীয়তা জোরালো হয়ে উঠেছে।