কর্তৃত্ব বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশের শাসনব্যবস্থায় আইনের শাসনকে সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন যে, দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব কিংবা জোর জবরদস্তি কোনোভাবেই রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা হতে পারবে না। দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তার সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, হাজার হাজার শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই জাতির প্রাথমিক কর্তব্য। মুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে প্রতিষ্ঠিত একটি জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন হয়েছে, যা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তারেক রহমান বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সমান মর্যাদা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও স্বনির্ভর দেশ গড়ার জন্য কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। নবগঠিত সরকারের সামনে রয়েছে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায় এবং শাসন কাঠামো দুর্বল হলেও, সরকার কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে। বিশেষত, জুয়া এবং মাদকের বিস্তার দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তারেক রহমানের এই ভাষণ দেশের উন্নয়ন ও শান্তির প্রত্যাশায় নতুন আশার সঞ্চার করেছে। শপথগ্রহণের পর তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক করে সরকারের কার্যক্রম শুরু করেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও আইনের শাসনে পরিচালিত রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা জাগিয়েছে।