শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন, চলছে গণনা ভোটের দিন মোবাইল-ইন্টারনেট সচলে জরুরি নির্দেশনা নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নাহিদের যেভাবে জানা যাবে ভোট কেন্দ্রের নাম জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো নারী বিদ্বেষী পোস্ট: তদন্ত ও গ্রেফতারের ঘটনায় ডিবি বিভক্তি দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই সংস্কার সনদ’ বিষয়ক গণভোট পর্যবেক্ষণে ১৬টি দেশ থেকে পর্যবেক্ষক আসছেন আন্তর্জাতিক আদালত নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি, সমস্যার সমাধান দেখিনি: তারেক রহমান

মুচমুচে বিস্কুট খাওয়া কি স্বাস্থ্যকর গরম চায়ের সঙ্গে ?

bornomalanews
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৬৪ Time View

সকাল কিংবা সন্ধ্যা— চায়ের সঙ্গে ‘টা’ না হলে ঠিক জমে না? আর বাঙালির ‘টা’ মানেই হল মুড়ি, মুচমুচে বিস্কুট অথবা শিঙাড়া, চপ। এখন তো আবার চায়ের আড্ডায় শৌখিন কুকিজ়, কেক দিব্যি চলছে। গরম চায়ে বিস্কুট ডুবিয়ে না খেলে কী আর ভাল লাগে? এখন কথা হল, চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার এই অভ্যাস কি ভাল? সেটা যেমন বিস্কুটই খান না কেন, তাতে শরীরে লাভ হয় নাকি ক্ষতি?

এই বিষয়ে ভারতের খ্যাতনামা পুষ্টিবিদ শম্পা চক্রবর্তী বলছেন, সকালে হোক বা সন্ধ্যায়, চায়ের সঙ্গে ভুলেও ময়দার বিস্কুট খাবেন না। কুকিজ়, কেক তো নয়ই। এখন অনেকে বলবেন, থিন অ্যারারুটের মতো আটা দিয়ে তৈরি বিস্কুটও কি ক্ষতিকর?

এই পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন, থিন অ্যারারুট বা ক্রিম ক্র্যাকারের মতো বিস্কুট ততটা ক্ষতিকর নয় তবে এগুলোতেও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে না। আর চায়ের সঙ্গে ময়দা বা আটার বিস্কুটের যুগলবন্দি শরীরেরর জন্য একেবারেই ভাল নয়। এই দুইয়ের মিলমিশ ঠিকমতো হজমই করতে পারে না পাকস্থলী। ফলে বদহজমের সমস্যা, গ্যাস-অম্বল বেড়ে যায় অনেকখানি।

বিস্কুটের আরও কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। এই পুষ্টিবিদের কথায়, কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ বিস্কুট যখন চায়ে ডুবিয়ে মুখে পুরছেন, তখন অনেকখানি ক্যালোরি শরীরে ঢুকছে। শুধু তা-ই নয়, বিস্কুটের অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর যদি দুধ-চিনি দেওয়া চায়ের সঙ্গে বিস্কুট রোজ খেতে থাকেন, তা হলে তো কথাই নেই। কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে তা হৃদ্রোগের কারণও হয়ে উঠতে পারে।

বিস্কুটে শর্করার মাত্রা খুব বেশি থাকে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের তো বটেই, শরীরে অন্য কোনও অসুখ থাকলেও বিস্কুট খাওয়া এড়িয়েই চলতে হবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিস্কুটে এত বেশি চিনি থাকে যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। নোনতা বিস্কুটও সুরক্ষিত নয়। তাতে নুনের মাত্রা বেশি থাকে। পাশাপাশি গ্লুটেনের পরিমাণও অনেক বেশি থাকে। গ্লুটেনও সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে হজমের প্রক্রিয়ায়। চায়ের সঙ্গে অনেকেই টোস্ট বিস্কুট খান। সেটি আরও ক্ষতিকর। টোস্ট বিস্কুট তৈরি হয় পাউরুটি দিয়ে। আর তৈরির প্রক্রিয়াও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। তাই এই ধরনের বিস্কুটও না খাওয়াই ভাল।

বিকল্প কী হতে পারে?

শম্পা চক্রবর্তীর পরামর্শ, চায়ের সঙ্গে একমুঠো শুকনো মুড়ি খেতে পারেন। অথবা শুকনো খোলায় ভাজা ছোলাও চলবে। চিড়ে ভাজা রাখতে পারেন হাতের কাছে। বাদামও স্বাস্থ্যকর। শুকনো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বাদাম খেতে পারেন। তবে একমুঠোর বেশি নয়। যা-ই খান, পরিমিতই খেতে হবে।

চেষ্টা করতে হবে দুধ-চিনি ছাড়া লিকার চা খেতে। তাও দিনে দু’বারের বেশি নয়। আদা, দারচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ ফুটিয়ে চা বানিয়ে খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর। তার সঙ্গে একমুঠো শুকনো ফল বা ছোলা খেয়ে নিতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102