দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে ন্যূনতম ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হবে এবং শিগগিরই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এ আশাবাদ প্রকাশ করেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রধান উপদেষ্টা সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে এবং দলগুলো কমিশনের সঙ্গে কথা বলে একটি ন্যূনতম ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।
“আজকের প্রাথমিক আলোচনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের মতামত দিয়েছে,” বললেন মির্জা ফখরুল। “আমরা আশা করি, সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হবে এবং দ্রুতই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।” তিনি আরো যোগ করেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি, জাতীয় নির্বাচন আগে হতে হবে, তারপর স্থানীয় সরকার নির্বাচন।”
অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ২৬টি দল ও জোটের প্রায় ১০০ নেতা অংশ নেন। বৈঠকে রাজনৈতিক সংস্কার, নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে বিভিন্ন দলের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মির্জা ফখরুলের মতে, রাজনৈতিক সংস্কার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা দেশের বর্তমান সংকট উত্তরণের জন্য অপরিহার্য। তিনি বলেন, “আমরা একটি গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ নির্বাচন চাই, যেখানে জনগণের ভোটই শেষ কথা বলবে।”
এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। “কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে,” বললেন তিনি। “আমরা আশা করি, এই প্রচেষ্টা সফল হবে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে।”
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নেতাদের মধ্যে ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধি। তাঁরা সংস্কারের প্রস্তাবগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে মতবিনিময় করেন।
মির্জা ফখরুলের আশাবাদী বক্তব্যে স্পষ্ট যে, রাজনৈতিক সংস্কার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা দেশের বর্তমান সংকট উত্তরণের জন্য অপরিহার্য। তিনি বলেন, “আমরা একটি গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ নির্বাচন চাই, যেখানে জনগণের ভোটই শেষ কথা বলবে।”
এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। “কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে,” বললেন তিনি। “আমরা আশা করি, এই প্রচেষ্টা সফল হবে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে।”
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নেতাদের মধ্যে ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধি। তাঁরা সংস্কারের প্রস্তাবগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে মতবিনিময় করেন।
মির্জা ফখরুলের আশাবাদী বক্তব্যে স্প