এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের সব জেলায় এলপিজি বিক্রয় ও সরবরাহে চলমান অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান জানান, বৈঠকে তারা তিনটি মূল দাবি উপস্থাপন করেন—প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ করা, বিতরণকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বৃদ্ধি এবং সরবরাহের নিশ্চয়তা। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করেন যে চলমান অভিযান নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হবে এবং চার্জ বৃদ্ধির জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জাহাজ সংকট থাকা সত্ত্বেও পণ্য আমদানির বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যার ফলে আগামী সপ্তাহে সরবরাহের সংকট কিছুটা কমবে। তবে সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপারেটরদের কাছ থেকে সিলিন্ডার ক্রয়ে প্রতি ইউনিটে ১৩০০ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে, যা কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, বিইআরসি চেয়ারম্যান জানুয়ারি মাসের জন্য নির্ধারিত ১৩০৬ টাকার বেশি দাম নেওয়ার যুক্তি দেখেন না। গত বুধবার এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড ধর্মঘট ঘোষণা করেছিল, যার কারণে ঢাকার পাশাপাশি গাজীপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে এলপিজি সিলিন্ডারের বিক্রি বন্ধ ছিল। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বিক্রি চলছিল। ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের সব জেলায় এলপিজি বিপণন ও সরবরাহে ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। বৈঠকে তারা তিনটি দাবি উত্থাপন করেন—সারা দেশে চলমান প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ, বিতরণকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বৃদ্ধি এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করেছেন যে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে চলমান অভিযান বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং চার্জ বাড়ানোর জন্য আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানান, জাহাজ সংকট থাকা সত্ত্বেও আমদানির বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, ফলে আগামী সপ্তাহে সরবরাহ সংকট কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। সমিতির সভাপতি জানান, অপারেটরদের কাছ থেকে সিলিন্ডার ক্রয়ে তাদের খরচ ১,৩০০ টাকার বেশি হওয়ায় ১২ কেজির সিলিন্ডার দেড় হাজার টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব নয়। তবে বিইআরসি চেয়ারম্যান জানুয়ারির জন্য নির্ধারিত ১,৩০৬ টাকার বেশি দাম নেওয়ার কোনো যুক্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন। গত বুধবার শুরু হওয়া ধর্মঘটের কারণে ঢাকার পাশাপাশি গাজীপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে এলপিজি সিলিন্ডারের বিক্রি বন্ধ ছিল, যদিও দেশের অন্য জেলায় বিক্রি চলছিল। ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা যাচ্ছে।