মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। টস হেরে ব্যাট করতে নামা রাজশাহী দলের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বল করে ২০ ওভার শেষে ১৭৪ রানের সংগ্রহ করে। তানজিদ হাসান তামিমের উজ্জ্বল ব্যাটিং কার্যত দলকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে, যেখানে তার সেঞ্চুরি ছিল ফাইনালের ইতিহাসে তৃতীয়। সাহিবজাদা ও কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে জুটিতে ওপেনিংয়ে ৮৩ রান যোগ করা এই বাঁহাতি ব্যাটারের ইনিংস ছিল অনবদ্য, যা ছয়টি চার এবং সাতটি ছয়ে সমৃদ্ধ। জবাবে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ব্যাটিং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে মাত্র ১১১ রানে। শুরু থেকেই চাপ সামলাতে পারেনি চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা, যার ফলে দলীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় দ্রুত। শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুইজনই দুটি করে উইকেট পেলেও রাজশাহী বোলারদের দাপটই ছিল ম্যাচের মূল কথা। বিশেষ করে বিনুরা ফার্নান্দো ৩ ওভারে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন যা ফাইনালে বড় ভূমিকা রেখেছে। এই জয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের উচ্ছ্বাস সীমাহীন। ২০১৯-২০ মৌসুমে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছিল দলটি, এবার সেই সাফল্য পুনরাবৃত্তি করলো তারা। বিপিএলের ইতিহাসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিক থেকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স সর্বোচ্চ চারবার শিরোপা জয়ী হলেও, রাজশাহীও এখন দুইবারের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ফাইনাল ম্যাচে তানজিদ হাসানের ব্যাটিং ছাড়াও দলের অন্যান্য সদস্যদের সমন্বিত পারফরম্যান্সই রাজশাহীকে বিজয়ে নিয়ে গেছে। বিপিএলের ফাইনালে এমন একটি শক্তিশালী এবং দৃঢ় দলীয় প্রদর্শনী ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা নিয়ে এসেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জন্য।