বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের পারমাণবিক শক্তির নতুন অধ্যায়! ২০২৬ সালের ঈদুল আজহায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা ১১ দিনের বিশাল ছুটি যশোরে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কড়া হুঁশিয়ারি: শান্তি বিঘ্নিত করতে দেওয়া হবে না সংসদ সচিবালয়ে কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরম আরও বাড়বে! ফুয়েল পাস বিডি অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রমে সম্প্রসারণ, আরও জেলা ও পেট্রোল পাম্প যুক্ত ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান, পুরস্কার গ্রহণ করলেন নাতনি জাইমা রহমান টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেলেন তারেক রহমান কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষের ভাগ্য ভালো হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপেক ও ওপেক প্লাস ত্যাগ: বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কা

bornomalanews
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬ Time View

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সম্প্রতি তেল উৎপাদনকারী আন্তর্জাতিক জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউএইয়ের এই পদক্ষেপ ওপেক জোটের কার্যকারিতা ও প্রভাবকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলবে, বিশেষ করে যার নেতৃত্বে রয়েছে সৌদি আরব। দীর্ঘদিন ধরে ওপেকের অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্বে থাকা সৌদির জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জোটের অন্যতম প্রধান সদস্য হিসেবে ইউএইয়ের সরে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক তেল বাজারে নতুন মাত্রার অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো ইতোমধ্যেই নানা ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন, বিশেষত হরমুজ প্রণালী যেখানে বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশ পরিবাহিত হয়। ইরানি বাহিনীর সাম্প্রতিক তৎপরতা এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে পরিবহনে ঝুঁকি বৃদ্ধি করেছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতিতে ইউএই যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে নিজেদের সুরক্ষায় অন্যান্য আরব দেশগুলোর যথাযথ সহযোগিতার অভাবকে দায়ী করছে। চলমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইরানের হামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও তারা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা লাভ করতে পারেনি বলে তারা অভিযোগ করেছে। এই অসন্তোষই তাদের ওপেক ত্যাগের পেছনে মূল কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক তেল বাজারের একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বিশ্ব তেলের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সরবরাহ করে। ইউএইয়ের মতো বড় সদস্যের সরে যাওয়ায় এই জোটের প্রভাব ও ঐক্য দুর্বল হতে পারে, যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহে নতুন অস্থিরতা ও মূল্য ওঠানামার কারণ হতে পারে। বাজার বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই পরিবর্তনের ফলে তেলের দামের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাবে এবং তা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। এই নতুন সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে তেলের সরবরাহ, মূল্য এবং ভূ-রাজনীতির দিক থেকে বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102