২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ বয়কটের দাবি বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী হচ্ছে, বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী নীতির কারণে। গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা থেকে পিছু না হটলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়েছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। এ নিয়ে নিরাপত্তার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটারও। ব্লাটার উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্প সরকারের বিতর্কিত অভিবাসন ও ভিসা নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে যাওয়া নিরাপদ হবে না। তিনি সুইজারল্যান্ডের দুর্নীতিবিরোধী আইনজীবী মার্ক পিয়েথের মন্তব্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ফুটবলপ্রেমীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া উচিত। পিয়েথের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া হলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সঠিক ব্যবহার না করলে সমর্থকদের দ্রুত ফেরত পাঠানো হতে পারে। ২০১৫ সালে দুর্নীতির অভিযোগে ফিফা সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করা ব্লাটার গত বছর সব অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, মার্ক পিয়েথের বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে প্রশ্ন তোলা সঠিক সিদ্ধান্ত। বিশ্বকাপের অধিকাংশ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগুলো এই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মহোৎসবের পরিবেশে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তাই নিরাপত্তার কারণে বিশ্বকাপ বয়কটের পক্ষে জনমত ক্রমশ বাড়ছে।২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে বয়কটের আভাস ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা থেকে ট্রাম্প পিছু না হটলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়েছে ইউরোপের জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। এবার সাবেক ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটারও নিরাপত্তাজনিত কারণে ফুটবলপ্রেমীদের যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। ব্লাটার যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত অভিবাসন ও ভিসানীতি এবং নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে সমর্থকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ মনে করছেন না। তিনি সুইজারল্যান্ডের দুর্নীতিবিরোধী আইনজীবী মার্ক পিয়েথের বক্তব্যের পক্ষপাতিত্ব করে বলেছেন, ফুটবলপ্রেমীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে থাকা উচিত। পিয়েথ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গেলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সঠিক আচরণ না করলে সমর্থকদের দ্রুত ফেরত পাঠানো হতে পারে। ২০১৫ সালে দুর্নীতির অভিযোগে ফিফা সভাপতির পদত্যাগ করা ব্লাটার গত বছর সব অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি পিয়েথের বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকে সঠিক বলে অভিহিত করেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের অধিকাংশ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ট্রাম্প সরকারের নীতির কারণে নিরাপত্তা ও ভোগান্তির আশঙ্কায় একাধিক দেশ ও ব্যক্তির উদ্বেগ প্রকাশ পাচ্ছে।