শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক আদালত নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি, সমস্যার সমাধান দেখিনি: তারেক রহমান নির্বাচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত : রাষ্ট্রদূত নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি ফের ফোনালাপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে :প্রেস সচিব জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র! নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চার দলের প্রতি ইসির কঠোর সতর্কতা নির্বাচন কমিশনে আপিলের ফলে ৪১৬ প্রার্থী পুনরায় প্রার্থিতা পেয়েছেন নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ

আন্তর্জাতিক আদালত নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে

bornomalanews
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২ Time View

টেংরাটিলা বিস্ফোরণ মামলায় সুনামগঞ্জের ছাতকে ২০০৫ সালে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক আদালত রায় দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) ট্রাইব্যুনাল কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে প্রায় ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা করে তা বাংলাদেশকে প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান এ রায় নিশ্চিত করে জানান, জরিমানার মধ্যে রয়েছে ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস নষ্টের দায়ে ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষতিসাধনের জন্য ২ মিলিয়ন ডলার। মোট প্রায় ৫১৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশের কাছে প্রদান করতে হবে নাইকোকে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন নাইকো কর্তৃক অনুসন্ধান কূপ খননের সময় দুই দফায় মারাত্মক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যার ফলে মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিস্ফোরণের পর বাংলাদেশে স্থানীয় আদালতে মামলা দায়ের করা হয় এবং পরে বিষয়টি ইকসিড ট্রাইব্যুনালে যায়, যেখানে ২০২০ সালে নাইকোকে দায়ী ঘোষণা করা হয়। নাইকো আদালতের নির্দেশ অস্বীকার করলে ২০০৭ সালে স্থানীয় আদালত তাদের ফেনী ফিল্ডের গ্যাস বিল পরিশোধ বন্ধ করে দেয়। এর পর হাইকোর্ট নাইকোর সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও চুক্তি বাতিলের আদেশ দেয়, যা সুপ্রিম কোর্টেও বজায় থাকে। ২০১০ সালে নাইকো বিরুদ্ধে ইকসিডে মামলাও দায়ের করা হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত। দীর্ঘ সময় গ্যাস উত্তোলনের পর পানি আসায় ২০০৩ সালে গ্যাসক্ষেত্র নাইকোর হাতে হস্তান্তর করা হয়। এরপর অনুসন্ধান কূপ খননের সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এখন এই গ্যাসক্ষেত্রের অবশিষ্ট মজুদ উত্তোলন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ক্ষতিপূরণসহ গ্যাস উত্তোলনের বিষয়গুলো দেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102