বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরউপ-জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের ‘বিভ্রান্তিকর ও একপক্ষীয়’ প্রতিবেদন, প্রেস উইংয়ের প্রতিবাদ যত বাধাই আসুক ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে তুলব : ড. ইউনূস ভারত-পাকিস্তানে ঈদের তারিখ ঘোষণা, অপেক্ষায় বাংলাদেশ!! বাংলাদেশের ‘এক চীন নীতি’: তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পলিসি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পাইলট প্রকল্প দুই মুখ্য সংগঠক হাসনাত-সারজিসকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তিটি নিয়ে যা জানা গেল চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদের পথসভায় বিএনপির হামলার অভিযোগ জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান

২০১৪ সালে বিতর্কিত নির্বাচন শেষে আ.লীগ ও বিএনপি-জামায়াতের কী সমঝোতা হয়েছিল, জানালেন সাবেক সেনাপ্রধান

bornomalanews
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ২৭ Time View

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচন শেষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছিল—যে সমঝোতায় ছয় মাসের মধ্যে আরেকটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত এই সমঝোতা থেকে সরে আসার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেন তিনি। ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি বলেন, “২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার ভূমিকা নিয়ে কিছু কথা বলার প্রয়োজন রয়েছে, কারণ কিছু ব্যক্তি অবাস্তব এবং অন্যায্য আশা থেকে প্রশ্ন তুলছেন।”

এখানে, তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে তারা রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের পর প্রধান বিচারপতির অবসরের বয়স বাড়িয়ে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার ব্যবস্থা করে। ২০০৬ সালে তাদের শাসন শেষ হলে সরকারের পদত্যাগের পর, আওয়ামী লীগ একটি ভয়াবহ রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করে, যার নাম ছিল ‘লগি-বৈঠার আন্দোলন’, যা ছিল তাদের দাবি অনুযায়ী বিএনপির নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।

এ অবস্থায়, আওয়ামী লীগ সাবেক প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করে। তার জায়গায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহমেদ, যিনি বয়স ও শারীরিকভাবে অক্ষম ছিলেন। আওয়ামী লীগসহ তার সহযোদ্ধা দলগুলো এবং জাতীয় পার্টি এই নিয়োগ মেনে নিলেও, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে ও রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলা করতে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন। এর ফলে, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় এবং ২২ জানুয়ারির নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

দুই বছরের বিলম্বের পর, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের আয়োজন করা হয়, যা সংবিধানে নির্ধারিত তিন মাসের সময়সীমা লঙ্ঘন করে। সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে, ইয়াজউদ্দীনের নেতৃত্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। যদিও নির্বাচনে বিজয়ী দল দাবি করেছিল যে, নির্বাচন ছিল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, বিএনপি তা মেনে নেয়নি এবং এটিকে ‘কারসাজিপূর্ণ’ বলে প্রত্যাখ্যান করে।

এমনকি, দেশের জনগণ দেখলো, বিএনপি বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের নিয়োগ প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল। এরপর, ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকেই বাতিল করে দেয়।

এভাবে, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে এক ধরনের চোরাগোপ্তা সমঝোতা ছিল, যা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102