মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই সংস্কার সনদ’ বিষয়ক গণভোট পর্যবেক্ষণে ১৬টি দেশ থেকে পর্যবেক্ষক আসছেন আন্তর্জাতিক আদালত নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি, সমস্যার সমাধান দেখিনি: তারেক রহমান নির্বাচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত : রাষ্ট্রদূত নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি ফের ফোনালাপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে :প্রেস সচিব জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র! নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চার দলের প্রতি ইসির কঠোর সতর্কতা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত: এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজে নারী কোটা বাতিল

bornomalanews
  • Update Time : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ১৮৬ Time View

বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজে শিক্ষক নিয়োগে শহরাঞ্চলে ৪০ শতাংশ এবং মফস্বল অঞ্চলে ২০ শতাংশ নারী কোটা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এখন থেকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এন্ট্রি লেভেলে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আর নারী কোটা প্রযোজ্য হবে না। তবে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা)’ এবং ‘শরীরচর্চা শিক্ষক’ পদে নিয়োগের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে। এই প্রজ্ঞাপনটি গত ১৫ মে থেকে কার্যকর হয়েছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক বিভাগ, শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মতামত চেয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয়ের একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনার আলোকে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগেও সরকারি চাকরির মতো ৭ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের পক্ষে মত দেওয়া হবে। বর্তমানে ৭ শতাংশ কোটা বহাল রয়েছে, যার মধ্যে ৫ শতাংশ নির্ধারিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য, ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য এবং ১ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জনগণের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। এই নতুন সিদ্ধান্তটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা শিক্ষাক্ষেত্রে সমতা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102