আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে জামায়তের আমীর ডা. শফিকুর রহমান এই ইশতেহার প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতারা, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার বরিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ইশতেহারটি দেশের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের মতামত নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে। ‘চলো সবাই একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানের মাধ্যমে ‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জামায়াত। ইশতেহারে ২৬টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন বাংলাদেশ গঠন, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা, যুবকদের ক্ষমতায়ন, নারীর নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র বিনির্মাণ, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আর্থিক খাত সংস্কার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা।
এছাড়া কৃষিতে বিপ্লব, খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা, শিল্পায়ন, শ্রমিক অধিকার, প্রবাসীদের ভোটাধিকার, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, যাতায়াত ও আবাসন ব্যবস্থা উন্নয়নসহ দুর্নীতি নির্মূল ও সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাকে ইশতেহারের প্রধান অঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী এই ইশতেহারকে ‘জনতার ইশতেহার’ হিসেবে ঘোষণা করে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।