তিনি জানান, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার পরিকল্পনা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রয়েছে এবং ওমান, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ এই আলোচনার আয়োজন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শিগগিরই চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও মঙ্গলবার জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন থেকে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার পর হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই আলোচনাগুলো ইরানের পরমাণু কর্মসূচি কেন্দ্র করে হবে এবং তা ইরানে জানুয়ারির বিক্ষোভের পরে শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে পুলিশি নিপীড়নে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক, কাতার ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা আলাদা আলোচনা করেছেন এবং এই দেশগুলোকে উত্তেজনা হ্রাস ও আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।