শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার হালনাগাদ পরিস্থিতি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েই চলছে! মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাবে বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত ১৭৬ ফ্লাইট বাতিল সংসদের চীফ হুইপ পদে নিয়োগ পেয়েছেন বরগুনা-২ আসনের নূরুল ইসলাম ১০ মার্চ থেকে ১৪ উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু আগামী ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন তারেক রহমানের শাসনব্যবস্থায় আইনের শাসন হবে সর্বোচ্চ! বঙ্গভবন নয়, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবে নতুন সরকার নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করল গণভোটের চূড়ান্ত গেজেট সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা

আদানি পাওয়ার বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও কমাল

bornomalanews
  • Update Time : শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৮০ Time View

আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবারহ কমিয়ে এখন ৫২০ মেগাওয়াট দিচ্ছে।

বাংলাদেশের কাছ থেকে ৮৫ কোটি ডলারের বকেয়া আদায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ আরো কমিয়েছে ভারতের বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি আদানি পাওয়ার।

বৃহস্পতিবারের পর থেকে তারা বাংলাদেশে ৫২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে বলে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিবি) ডেটা ও বিপিডিবির কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় ১৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল আদানি পাওয়ার। গত অগাস্টের শুরুতেও তারা ১৪০০-১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান রয়টার্সকে বলেন, “আমরা পর্যায়ক্রমে সেই বকেয়া পরিশোধ করছি। সেইসঙ্গে কেউ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে তার বিকল্প ব্যবস্থাও নেব। কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহকারীকে আমাদের জিম্মি করতে দেব না।”

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বা বিপিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ বকেয়া পরিশোধের গতি বাড়ালেও এবং গত ৭ নভেম্বরের মধ্যে অর্থ পরিশোধের একটি সময়সীমা আদানি প্রত্যাহার করলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানো অব্যাহত রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে গত সরকারের আমলেই প্রশ্ন উঠেছিল, কিন্তু তার সুরাহা হয়নি। আর আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চাহিদার প্রায় এক দশমাংশ বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ, ফলে রাতারাতি চুক্তি বাতিল করাও সরকারের জন্য ‘কঠিন’।

এদিকে ডলার সংকটের কারণে গত সরকারের সময় থেকেই আদানির বিপুল অঙ্কের বিল বকেয়া পড়ে গেছে। সেই অঙ্ক ইতোমধ্যে ৮৫ কোটি ডলারে পৌঁছেছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর। বকেয়া আদায়ে কিছুদিন পরপরই বাংলাদেশে ছুটে আসছেন আদানির প্রতিনিধিরা।

বকেয়া অর্থ পরিশোধের জন্য ৩১ অক্টোবর সময়সীমা বেঁধে দিয়ে ১৭ কোটি ডলারের ঋণপত্র (এলসি) পরিশোধ করতে বলেছিল আদানি পাওয়ার।

চুক্তি অনুযায়ী আদানিকে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করার কথা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের। তবে ডলার সংকটের কারণে ব্যাংকটি অপারগতা প্রকাশ করায় সেই অর্থ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা পাঠাতে চেয়েছিলেন বলে সূত্রের বরাতে জানায় টাইমস অব ইন্ডিয়া। তবে তা চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় আদানি পাওয়ার তাতে সম্মতি দেয়নি।

এ পরিস্থিতিতে আদানি পাওয়ার একটি ইউনিট বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশের চলমান লোড শেডিং আরও বেড়েছে।

এরই মধ্যে গত ৩ নভেম্বর টাইমস অব ইন্ডিয়া খবর দেয়, বকেয়া নিষ্পত্তির সুরাহা না হলে আদানি পাওয়ার আগামী ৭ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে।

ওই খবর বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে আসার পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বিদ্যুৎ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এর আগে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা অক্টোবর মাসে ওদেরকে (আদানি পাওয়ার) প্রায় ৯৮ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছি; সেপ্টেম্বরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

“এছাড়া তাদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭ কোটি ডলারের এলসি করা হয়েছে। তারপরও তাদের এমন আচরণ খুব আশ্চর্যজনক, বিস্ময়কর এবং দুঃখজনক।”

তিনি বলেন, “আদানি যদি সত্যিই বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়, তাহলে আমরা এটা মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত আছি। গ্রাহকরা যাতে ভোগান্তির মধ্যে না পড়ে, সেজন্য আমরা বিকল্প ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102