মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরম আরও বাড়বে! ফুয়েল পাস বিডি অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রমে সম্প্রসারণ, আরও জেলা ও পেট্রোল পাম্প যুক্ত ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান, পুরস্কার গ্রহণ করলেন নাতনি জাইমা রহমান টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেলেন তারেক রহমান কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষের ভাগ্য ভালো হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নববর্ষ ১৪৩৩ বরণে প্রস্তুত ছায়ানট, রমনার বটমূলে আয়োজন শুরু সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের চার সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু মোবাইল অ্যাপভিত্তিক ফুয়েল পাস চালু, নিবন্ধন করবেন যেভাবে জাতীয় সংসদে পাস হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের শক্তিশালী ‘অ্যান্টি-কোয়ার্সন ইনস্ট্রুমেন্ট’ কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে

bornomalanews
  • Update Time : সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৫ Time View

ইউরোপীয় ইউনিয়ন মার্কিন শুল্ক হুমকির মোকাবিলায় ‘অ্যান্টি-কোয়ার্সন ইনস্ট্রুমেন্ট’ ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) তাদের শক্তিশালী ‘অ্যান্টি-কোয়ার্সন ইনস্ট্রুমেন্ট’ (এসিআই) কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফ্রান্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প তার হুমকি বাস্তবায়ন করলে ইইউ মার্কিন পরিষেবা খাতের ওপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করবে। ২০২৩ সালে অনুমোদিত এই আইনটি ইইউর ‘নিউক্লিয়ার অপশন’ হিসেবে বিবেচিত, যা ভূ-রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় ব্যবহার করা হয়। এসিআই’র আওতায় মার্কিন ডিজিটাল জায়ান্ট যেমন আমাজন, মাইক্রোসফট, নেটফ্লিক্স ও উবারের পরিষেবায় বিধিনিষেধ আরোপ এবং ইইউর সরকারি টেন্ডার থেকে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাদ দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব। এছাড়া আমদানিতে কোটা, লাইসেন্স ব্যবস্থা এবং বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণসহ মেধা স্বত্ব, আর্থিক সেবা ও খাদ্যপণ্য বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতাও এই আইনে রয়েছে। ইইউর উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং কোনো বিদেশি শক্তির অর্থনৈতিক জবরদস্তি প্রতিহত করা। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এটিকে ‘ট্রেড বাজুকা’ হিসাবে অভিহিত করেছেন, যা প্রয়োজনে প্রথমবার প্রয়োগ করা হতে পারে। এসিআই কার্যকর করার প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয় কমিশন চার মাস সময় নিয়ে অভিযোগ যাচাই করে, এরপর সদস্য দেশগুলো যোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়। যদি আলোচনায় সমাধান না হয়, তবে তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত পাল্টা ব্যবস্থা কার্যকর হয়। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে শুরু হওয়া এই উত্তেজনা আটলান্টিকের দুই পাড়ের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নয়া সংকটের মুখে ফেলে দিচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 bornomalanews24.com
themesba-lates1749691102