ইরান মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকার কারণে কোনো ধরনের শান্তি আলোচনায় অংশ নেবে না বলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কারণে আগামী সোমবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য শান্তি আলোচনায় ইরান কোনো প্রতিনিধি দল পাঠাবে না, যা ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি রোববার নিশ্চিত করেছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন নৌ-অবরোধ থাকবে, ততক্ষণ তারা কোনো কূটনৈতিক আলোচনা বা তৎপরতায় অংশ নেবে না। অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে আসার কথা রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে প্রচার করছে। তবে ইরানের এই অনড় অবস্থানের কারণে শান্তি প্রক্রিয়া এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একতরফা অবরোধ অব্যাহত রেখে সুষ্ঠু আলোচনা করা প্রায় অসম্ভব, যা ইরানের অবস্থানে প্রতিফলিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানি জাহাজ জব্দ এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি দিলে ইরান তাদের সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রেখেছে। ইরানের সামরিক নেতৃত্ব বলেছে, তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে ‘আঙুল ট্রিগারে’ প্রস্তুত। এই দুই পক্ষের বৈরী আচরণ ও সামরিক হুঁকির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।