আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে তেলের সরবরাহ বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের ও গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে দীর্ঘমেয়াদে আমদানি চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার আর্থিক চাপ কমানো এবং জ্বালানির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য শিগগিরই মূল্য সমন্বয়ের নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। মন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক তেলের সংকট শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ঝুঁকিতে রয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবু সরকার বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ করে দেশের জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য কঠোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে অর্থমন্ত্রী সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি জানান, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি ও শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তাই সাশ্রয়ী নীতিমালা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৩০ শতাংশ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, এই জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি জনগণের মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে এবং যেকোনো মূল্যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।