ঢাকা, আগস্ট ২১ (২০২৫) — বাংলাদেশ সরকার ভারতের মাটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর অবসান চেয়েছে। দুই দেশের মধ্যকার সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার প্রতি গুরুত্বারোপ করে এ সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম বন্ধের জন্য ভারতের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ অবস্থান জানানো হয়। বিবৃতিতে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থিত আওয়ামী লীগের নামে চলমান সকল রাজনৈতিক অফিস ও কার্যক্রম তাত্ক্ষণিকভাবে বন্ধ করার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত এবং ফৌজদারি মামলায় পলাতক আওয়ামী লীগের একদল নেতা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। গত ২১ জুলাই এই নেতারা দিল্লি প্রেস ক্লাবে একটি এনজিও’র ব্যানারের আড়ালে এক সভার আয়োজন করার চেষ্টা করেন এবং সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে প্রচারপত্র বিতরণ করেন। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই ঘটনা প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের নজরে আসে। বিবৃতিতে এই কর্মকাণ্ডকে ‘বাংলাদেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতি স্পষ্ট অবমাননা’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, শুধু দুই দেশের মধ্যকার বিশ্বাস ও সুন্দর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কই এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, বরং বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক রূপান্তর প্রক্রিয়ার উপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার তাদের এই আশঙ্কা ও আশঙ্কার কারণ ভারত সরকারের কাছে উত্থাপন করেছে এবং বিষয়টিতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর অনুরোধ জানিয়েছে।